ভুমি অফিসে মিথ্যা প্রতিবেদনে বাপ ছেলের দন্দ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ভুমি অফিসের মাধ্যমে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী এক পরিবার। তবে, দায়িত্বরত সার্ভেয়ারের দাবি সরেজমিন ঘুরে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এদিকে, সরেজমিনে দেখা গেছে পিটিশন মামলার বাদি নুরবক্তার সেখান দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন।
জানা গেছে, চিলমারী উপজেলার নালিশী রমনা মৌজার সাবেক দাগ নং ১৯৩২ যার আরএস দাগ নং ১১৩৭। এই দাগে মোট জমির পরিমান ২১ শতাংশ হলেও ভুমি অফিসের দাখিল কৃত পিটিশনে ১১ শতক জমি নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে দীর্ঘদিন দিন থেকে পরিবারিক ঝামেলা চলে আসছে। ২১ শতক জমির মালিকানাধীন দাবি করে নুরবক্তার দোকান ও বসতবাড়ি নির্মান করে বর্তমান বিবাদী খালেকুজ্জামান সহ অন্যসব ছেলেদের নিয়ে ২৫ বছর ধরে বসবাস করছেন। এরপর ২০১০ সালে বর্তমান বিবাদী খালেকুজ্জামান অন্যত্রে গিয়ে বসতবাড়ি নির্মান করেন বলে জানিয়েছেন মামলার বাদি নুরবক্তার মিয়া। কিন্তু স্থানীয় ভূমি অফিসের দেয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিবাদী খালেকুজ্জামান ১০ থেকে ১২ বছর ধরে ভোগ দখল করছেন।
ভূমি অফিসের প্রতিবেদন মিথ্যা দাবি করে ভুক্তভোগী নুরবক্তার ছেলে খবিরুজ্জামান কবির বলেন, প্রতিবেদনে যেসময় ধরে দখল করে থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেটি সত্য না। আমার ওই ভাই(খালেকুজ্জামান) ১৪ বছর আগেই এখান থেকে অন্য জায়গায় বসতবাড়ি করেন।
দাখিল কৃত পিটিশনের বাদি নুরবক্তার বলেন, আমার ছেলে খালেকুজ্জামান অনেক দিন থেকে এখানে থাকে না, এখনো নেই। সে তার বউ ছেলে মেয়ে নিয়ে অন্য জায়গায় বসবাস করছে। জায়গা জমি আমি ভোগদখলে রেখেছি। কিন্তু অফিসের লোক সেটা না করে উলটো কাজ করে দিছে। আমি সুষ্ঠু ও নিরপক্ষ প্রতিবেদন দেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
চিলমারী উপজেলা ভুমি অফিসের দায়িত্বরত সার্ভেয়ার শাহাদাত আলী জানান, আমরা সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন করেছি। এ বিষয়ে কিছু জানার থাকলে স্যারের সাথে কথা বলতে পারেন।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য লিখুন